আন্তর্জাতিক

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস বাংলাদেশে প্রবল আঘাত হানার সম্ভাবনা খুবই কম

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ তীব্র  আকার ধারন করে  সমুদ্রের একই অঞ্চলে অবস্থান করছে।

 
এমন পরিস্থিতিতে আবহাওয়া অধিদফতর বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর গুলির জন্য ২ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করেছে।
 
সকাল সাড়ে সাতটার দিকে আবহাওয়াবিদ এ কে এম রুহুল কুদ্দুস বিবিসি বাংলাকে জানান, ঘূর্ণিঝড়টি গত ছয় ঘন্টার মধ্যে নয় কিলোমিটার বেগে এগিয়ে গেছে এবং আরও শক্তি সঞ্চয় করছে ।
 
 তিনি আরও বলেছেছেন যতদূর দেখা যায়, এই ঘূর্ণিঝড়ের  সম্পূর্ণ গতিপথ  ভারতের উড়িষ্যা এবং পশ্চিমবঙ্গের দিকে। উপকূলে পৌঁছানোর পরে, ভারত যাওয়ার পথে  বাংলাদেশের খুলনা ও সাতক্ষীরা উপকূলে কিছুটা বৃষ্টি হবে। 
 
 যেহেতু এর গতিপথ  ভারতের  উড়িষ্যা এবং পশ্চিমবঙ্গের দিকে  সেজন্য বাংলাদেশে এই  আঘাত হানার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে এর প্রভাবে বাংলাদেশের কিছু কিছু জেলায় হালকা ঝড়হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হতে পারে। 
   
আবহাওয়া অধিদফতর সংবাদ মাধ্যমে  বলেছে যে, ঘূর্ণিঝড়টি  আরও  শক্তিশালী হয়ে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২৬ শে মে সকালে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে পৌঁছে যেতে পারে।
 
মঙ্গলবার সকাল  ছয়টায় ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৭৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৫২০ কিলোমিটার, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫১৫ কিলোমিটার এবং পাইরা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৮০ কিমি দূরে অবস্থিত।
 
আরও পড়ুন
খুব মারাত্মক ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আসছে, এটি কখন বাংলায় আঘাত হানবে?

৫ বছরের সংসারের ইতি টানছে নায়িকা মাহিয়া মাহি

কচ্ছপকে খাওয়াতে গিয়ে নিজেই খাবার হয়ে গেল পরে রইল কঙ্কাল

 
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে,  সর্বোচ্চ বাতাসের গতিবেগ প্রতি ঘন্টা ৮৯ কিমি। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গেছে, প্রবল বাতাসের আকারে এর গতি ১১৭ কিমি অবধি বাড়ছে।
 
গভীর নিম্নচাপ  থেকে সোমবার সকালে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছিল। এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পরে এর নাম দেওয়া হয় ইয়াস।
 
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার  তালিকা অনুসারে ওমান এই  ঘূর্ণিঝড়ের  নামটি দিয়েছে। যার অর্থ  ‘দুঃখ’ ‘হতাশা’।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button